০১. ক্লাডিং কী?
উত্তরঃ- ক্লাডিং অপটিক্যাল ফাইবারের একটি অংশ যা কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরী।
০২. UTP কী?
উত্তরঃ- UTP হলো Unshielded Twisted Pair ।
০৩. v-32 কী?
উত্তরঃ- একটি সাধারন মডেম যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারের টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছে দেয়।
০৪. ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা স্থানান্তরের গতি কত?
উত্তরঃ- ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা স্থানান্তরের গতি 450bps থেকে 300bps পর্যন্ত।
০৫. BPS কী?
উত্তরঃ- প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমান বিট ট্রান্সফার হয় তাকে bps দিয়ে bit per second বোঝান হয়।
০৬. থিকনেট কি?
উত্তরঃ- থিকনেট হলো ভারী ও নন ফ্লেক্সিবল মিডিয়া।
০৭. ভিডিও কনফারেন্সিং এ কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড ব্যবহার করা হয়।
০৮. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ফ্রিকোয়েন্সি কত?
উত্তরঃ- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ফ্রিকোয়েন্সি 0-5 MHZ
০৯. DECT কী?
উত্তরঃ- DECT হলো ডিজিটাল ইনহেন্স কর্ডলেস টেলিকমিউনিকেশন।এটি এক ধরনের কর্ডলেস ফোন।
১০. অ্যামচার কী?
উত্তরঃ- অ্যামচার এক ধরনের রেডিও সেবা।
১১. STP কী?
উত্তরঃ- STP হলো Shielded Twiested Pair ।
১২. ফটো ডিটিকটর কী?
উত্তরঃ- ফটো ডিটিকটর অপটিক্যাল ফাইবার থেকে ডেটা করে।
১৩. IC কী?
উত্তরঃ- IC হলো Integrated Circuit, এটি এক ধরনের চিপ।
১৪. হটস্পট কী?
উত্তরঃ- পরস্পর সংযুক্ত ইন্টারনেট প্রবেশ বিন্দু বা এক্সেস পয়েন্টগুলোকে হটস্পট বলে।
১৫. GPS কী?
উত্তরঃ- GPS হলো Global Positioning System এর সাহায্যে গাড়ির চালক, নৌকা ও জাহাজের নাবিক, বিমানের পাইলটের গতি জানা যায়।
১৬. মডেম কোন গতিতে ডেটা পাঠায়?
উত্তরঃ- মডেম bit per second গতিতে ডেট পাঠায়।
১৭. বেতার তরঙ্গ কত প্রকার?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ দুই প্রকার।
১৮. ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা কত?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা মিলিওয়াট।
১৯. ইন্টারনেট কোন ধরনের টপোলজি?
উত্তরঃ- ইন্টারনেট হলো হাইব্রিড টপোলজি।
২০. জ্যাকেট এর ব্যাস কত?
উত্তরঃ- জ্যাকেট এর ব্যাস 8০০ মাইক্রোমিটার।
২১. IMSI কী?
উত্তরঃ- IMSI হলো স্যাটেলাইট ফোন ডিভাইসগুলোর একটি একক identity নম্বর।এর দ্বারা International Mobile Subscriber Identity বোঝানো হয়।
২২. WWAN কী?
উত্তরঃ- WWAN হলো Wireless Wide Area Network ।
২৩. কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদানগুলো হলো কমিউনিকেশনের একটি পদ্ধতি যেমন-খেলাধুলা সম্প্রচার, গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা ইত্যাদি।
২৪. কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক উপাদান কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক উপাদান পাঁচটি যথা-১.উৎস২.প্রেরক৩.মাধ্যম৪.গ্রাহক ব প্রাপক৫. গন্তব্য।
২৫. মাধ্যম কাকে বলে?
উত্তরঃ- যার মাধ্যমে ডেটাসমূহ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে মাধ্যম বলে।
২৬. প্রাপক কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে যন্ত্র ডেটা গ্রহণ করে তাকে প্রাপক বলে।প্রাপক যন্ত্র হিসেবে মডেম ব্যবহার করা হয়।গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে।
২৭. মডেম কিভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ- মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট প্রেরণ করে।গ্রাহক কম্পিউটারের ব্যবহারপোযোগী করে। প্রেরক ও গ্রাহক উভয় প্রান্তে মডেম ব্যবহার করেন।
২৮. কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেম হলো একক সংগ্রহ যা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক, ট্রান্সমিশন, রিলে স্টেশন, উপকেন্দ্র ও ডেটা টার্মিনাল যন্ত্রপাতির সাথে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করা।
২৯. ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
৩০. ব্যান্ড উইডথ কাকে বলে?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।আর এ ট্রান্সমিশন স্পীডকে ব্যান্ড উইডথ বলে।
৩১.বিট সিনক্রোনাইজেশন কাকে বলে?
উত্তরঃ- সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহ্রত পদ্ধতিকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলে।
৩২. এসিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক থেকে গ্রাহকে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন হয় তাকে এসিনক্রোনাস বলে।
৩৩. সিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- ডেটাসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
৩৪. সিমপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতিতে ডেটা শুধু এক দিক থেকে প্রেরণ করা যায় তাকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
৩৫. হাফ ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- হাফ ডুপ্লেক্স মোড উভয় দিক থেকে আদান-প্রদানের ব্যবস্থা থাকে কিন্তু এক সাথে আদান-প্রদান সম্ভব নয়।
৩৬. ফুল ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- ফুল ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা উভয় দিকে প্রেরণ করা যায়। অর্থাৎ প্রেরণ ও প্রাপক উভয়ই এক সাথে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
৩৭. ইউনিকাস্ট মোড কাকে বলে?
উত্তরঃ- সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোড বলে।
৩৮. ব্রডকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে সকল নোডই গ্রহন করে। যেমন-টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোনো অনুষ্ঠান সম্প্রচার করলে তা সকলেই দেখতে পারে।
৩৯. মাল্টিকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে সকল নোডই গ্রহন করতে পারেনা।শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রাহক বা সদস্য গ্রহন করতে পারে।
৪০. চ্যানেল কাকে বলে?
উত্তরঃ- প্রেরক কম্পিউটার ও প্রাপক কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য সংযোগ ব্যবস্থাকে চ্যানেল বলে।
৪১. ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম কী?
উত্তরঃ- চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত মাধ্যম বা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম বা মিডিয়া বলে।
৪২. কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের কয়টি অংশ?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের অংশ ৪টি।
৪৩. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- দুটি পরিবাহী কপার বা তামার তারকে সুষমভাবে পেঁচিয়ে এ ধরনের ক্যাবল তৈরী করা হয়।
৪৪. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হচ্ছে কাঁচের তন্তুর তৈরী এক ধরনের ক্যাবল যার মাধ্যমে আলোর গতিতে ডেটা আদান প্রদান করা হয়।
৪৫. ওয়্যারলেস ডেটা কমিউনিকেশন কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ডেটা কমিউনিকেশন মোবাইল কম্পিউটিং এর একটি সাধারণ উপাদান।
৪৬. বেতার তরঙ্গ কী?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ এক প্রকারের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে সীমা মিলিমিটার থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
৪৭. ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ- সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
৪৮. মাইক্রোওয়েভ এর কাজ কী?
উত্তরঃ- কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থার মাধ্যমে মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে প্রেরক ও গ্রাহক কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
৪৯. টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ কোন ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহ্রত হয়।
উত্তরঃ- টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার বসানো হয়।এতে মেগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি সীমার নিচের দিকে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হয়।
৫০. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে কোন উপগ্রহের সহায়তা নিতে হয়?
উত্তরঃ- স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে যোগাযোগ উপগ্রহের সহায়তা নিতে হয়।
৫১. ইনফ্রারেড কত দূরত্বের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করে?
উত্তরঃ- সাধারণত দশমিক ৭ থেকে ৩০০ মাইক্রোমিটার দূরত্বের ডিভাইসের মধ্যে ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
৫২. ওয়্যারলেস প্যান কী?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ ও ইনফ্রারেডের মাধ্যমে হ্যান্ডসেট বা ল্যাপটপের মধ্যে যোগাযোগ পদ্ধতি হলো ওয়্যারলেস প্যান।
৫৩. ওয়্যারলেস ল্যান কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ল্যান পদ্ধতিতে প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে একটি রেডিও মডেম এবং এন্টেনা থাকে যার সাহায্যে প্রতিটি কম্পিউটার অপর কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
৫৪. ওয়াইম্যাক্স কী?
উত্তরঃ- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি টেলিকমিউনিকেশন প্রোটোকল যা মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহ্রত হয়।
৫৫. রেডিওলিনজা কী?
উত্তরঃ- ১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি GSM2G অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যবসায়িকভাবে এবং GSM2G স্ট্যান্ডার্ডে 2G তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।
৫৬. TDMA প্রযুক্তি কয়টি মহাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে?
উত্তরঃ- TDMA প্রযুক্তি ইউরোপের হলেও ৬টি মহাদেশের প্রায় সকল দেশেই এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
৫৭. CDMA প্রযুক্তি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ- প্রযুক্তি আমেরিকা ও এশিয়ার অংশ বিশেষে ব্যবহৃত হয়।
৫৮. নেটওয়ার্ক কী?
উত্তরঃ- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুই বা ততোধিক কম্পিউটার এক সাথে যুক্ত থাকে।
৫৯. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী?
উত্তরঃ- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হচ্ছে কতকগুলো ইন্টারফেস প্রোগ্রামের সমষ্টি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা নেটওয়্যার্কের সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়্যার্কে বিদ্যমান বিভিন্ন সম্পদ ভাগাভাগি করতে পারে।
৬০. ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতির মাধ্যমে যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে, প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠানে, এক দেশ হতে অন্য দেশে, তথ্য আদান প্রদান করা যায় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলা হয়।
৬১. ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে দূরবর্তী কোন কম্পিটারে ডেটা ট্রান্সমিট করতে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা-ই ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড।
৬২. কো-এক্সিয়াল কাকে বলে?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল চার স্তর বিশিষ্ট।এ ক্যাবল দুটো পরিবাহী বা কন্ডাক্টর ও অপরিবাহী বা পরা বৈদ্যূতিক পদার্থের সাহায্যে তৈরী।
৬৩. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল হলো দুটো পরিবাহী তামার তার যা এক সাথে সুষমভাবে প্যাঁচানো এবং তার দুটোকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ দ্বারা আবদ্ধ একটি পরিবাহী তার।
৬৪. অপটিক্যাল ফাইবার কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার হলো সর্বপ্রথম আবিস্কৃত তার যার মধ্যে দিয়ে আলোকে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়। অপটিক্যাল ফাইবার মূলত কোর, ক্লাডিং, এবং বাফার আবরণ এ তিনটি উপাদানে দিয়ে গঠিত।
৬৫. রেডিও ওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ হলো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বর্ণনালি।
৬৬. মাইক্রোওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- মাইক্রোওয়েভ হলো এক ধরনের তরঙ্গ যা ১ মিলি মিটার থেকে ১ মিটার দৈর্ঘ্যওে হতে পারে। অথবা ০.৩ মেগাহার্জ থেকে ৩০০ গেগাহার্জ বিশিষ্ট কম্পাংক হতে পারে । মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে ছবি, শব্দ, ও তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব।
৬৭. ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম এমন এক ধরনের নেটওয়ার্ক সিস্টেম যেখানে কোনো ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয় না।কাজেই বলা যায় এটি একটি তারবিহীন মাধ্যম।
৬৮. ব্লুটুথ কী?
উত্তরঃ- দুই বা ততোধিক যন্ত্রের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতি হচ্ছে ব্লুটুথ।ব্লুটুথ হলো ক্ষুদ্র দূরত্বের জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি। টেলিকম ভেওর এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি উদ্ভাবন করেন এবং দশম শতাব্দীতে ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর ন্মা অনুসারে এ প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়।এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।
৬৯. ওয়াই-ফাই কাকে বলে?
উত্তরঃ- ওয়াই-ফাই হলো একটি প্রচলিত তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার কে তারবিহীন উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে।ওয়াই-ফাই বলতে আমরা তারবিহীন লোক্যাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কে বুঝে থাকি, যা তৈরী করা হয়েছে ইন্সটিটিউট অফ ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারর্স।
৭০. মোবাইল যোগাযোগ কী?
উত্তরঃ- আমরা সবাই মোবাইল ফোন চিনি এবং ব্যবহার করে থাকি।মোবাইল ফোনকে সেলুলার ফোন বা সেলফোন বা মুঠোফোন বলে।
৭১. মডেম কাকে বলে ?
উত্তরঃ- মডেম শব্দটির পূর্ণরুপ হলো মডুলেটর-ডিমডুলেটর ।মডুলেটর ডিজিটাল সংকেত কে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত আর ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেত কে টুইস্টড পেয়ার ক্যাবল বা ফাইবার অপটিকের সাথে যুক্ত করা যায়।এটি একটি কেন্দ্রীয় কানেকটিভ ডিভাইসের মতো কাজ করে।কোনো একটি পোর্টে তথ্য আসার সাথে সাথে কপি করা যায় এবং ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে তথ্য সরবরাহ করে থাকে।
৭২. হাব কী?
উত্তরঃ- হাব হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা অনেকগুলো পোর্ট নিয়ে গঠিত এবং ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করার জন্য অনেকগুলো টুইস্টেড পেয়ার বা ফাইবার অপটিকের সাথে যুক্ত করা যায়।এটি একটি কেন্দ্রীয় কানেকটিভ ডিভাইসের মতো কাজ করে।কানো একটি পোর্টে তথ্য আসার সাথে সাথে কপি করা যায় এবং ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে তথ্য সরবরাহ করে থাকে।
৭৩. রাউটার কী?
উত্তরঃ- রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস।রাউটার কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও মধ্যে ইন্টার নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে তথ্য সঞ্চালন করে থাকে।
৭৪. গেটওয়ে কী?
উত্তরঃ- গেটওয়ে হলো ইন্টারনেটের প্রবেশপথ।কয়েকটি কম্পিউটারের সাথে এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের সংযোগকারী ডিভাইসকে গেটওয়ে বলা হয়।
৭৫. নেটওয়ার্ক টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- একটি কম্পিউটারের সাথে অন্য একটি কম্পিউটারের সংযোগ ব্যবস্থাকেই নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
৭৬. বাস টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- একটি সংযোগ লাইনে কয়েকটি কম্পিউটার নোড বা সংযোজক যুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে তাকে বাস টপোলজি বলে।
৭৭. মেশ টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে সে নেটওয়ার্ক সিস্টেম ই মেশ টপোলজি।
৭৮. রিং টপোলজি
উত্তরঃ- যে নেটওয়ার্কে কম্পিউটার বৃত্তাকারে সজ্জিত থাকে তাকে রিং টপোলজি বলে।
৭৯. স্টার টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের মাধ্যমে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত থাকে তাকে স্টার টপোলজি বলে।